ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি দাবি: মাত্র ৩৮ দিনে ৫৮ শতাংশ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০১:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ২৪ পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি, ৯ মে ২০২৬:
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে যে, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ৯ মে পর্যন্ত মাত্র ৩৮ দিনে দেশের ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ৫৮ শতাংশকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে সরকার।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার এ তথ্য জানিয়ে বলেন, “জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।”
ড. হায়দার আরও জানান, এই স্বল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে বলে সরকার এ অর্জনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। হাম ও রুবেলা—এই দুটি ছোঁয়াচে রোগ থেকে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
প্রেক্ষাপট
হাম-রুবেলা টিকা শিশুদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্দেশনা অনুযায়ী, এই টিকা শিশুদের মধ্যে জটিল স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। বাংলাদেশে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি তথ্যে উল্লেখ করা হয়।
বিএনপি গ্রাসরুটস নেটওয়ার্ক (বিজিএন) এই তথ্য প্রচার করে জনস্বাস্থ্য খাতে সরকারের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এখনও বিস্তারিত জেলাভিত্তিক টিকাদানের হার ও মোট শিশুসংখ্যার সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানের হার আরও বাড়াতে প্রান্তিক এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধি ও লজিস্টিক সাপোর্ট জোরদার করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে আরও আপডেট পেতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ের দিকে নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট মহল।

ট্যাগ :

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ডেঙ্গু মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা

সরকারি দাবি: মাত্র ৩৮ দিনে ৫৮ শতাংশ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে

আপডেট টাইম : ০১:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি, ৯ মে ২০২৬:
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে যে, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ৯ মে পর্যন্ত মাত্র ৩৮ দিনে দেশের ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ৫৮ শতাংশকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে সরকার।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার এ তথ্য জানিয়ে বলেন, “জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।”
ড. হায়দার আরও জানান, এই স্বল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে বলে সরকার এ অর্জনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। হাম ও রুবেলা—এই দুটি ছোঁয়াচে রোগ থেকে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
প্রেক্ষাপট
হাম-রুবেলা টিকা শিশুদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্দেশনা অনুযায়ী, এই টিকা শিশুদের মধ্যে জটিল স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। বাংলাদেশে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি তথ্যে উল্লেখ করা হয়।
বিএনপি গ্রাসরুটস নেটওয়ার্ক (বিজিএন) এই তথ্য প্রচার করে জনস্বাস্থ্য খাতে সরকারের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এখনও বিস্তারিত জেলাভিত্তিক টিকাদানের হার ও মোট শিশুসংখ্যার সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানের হার আরও বাড়াতে প্রান্তিক এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধি ও লজিস্টিক সাপোর্ট জোরদার করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে আরও আপডেট পেতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ের দিকে নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট মহল।