ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝালকাঠির শ্মশানঘাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ১০টি বসতঘর পুড়ে ছাই।

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৮:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩২ পঠিত

জেলা প্রতিনিধি-
আজ ৬ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার বিকেলে ঝালকাঠি শহরের ঘনবসতিপূর্ণ শ্মশানঘাট এলাকায় হঠাৎ একটি ঘর থেকে আগুন লাগে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ১০টি বসতঘর সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিক তদন্তে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটকে আগুনের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তবে সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গেছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্দশা চরম আকার ধারণ করেছে। ঘরবাড়ির আসবাবপত্র, নগদ টাকা, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকাংশই অসহায় ও স্বল্পআয়ের মানুষ, যাদের জীবিকা ও আশ্রয় এক মুহূর্তে নিঃশেষ হয়ে গেছে। এই ক্ষতি তাদের কাছে একেবারেই অপূরণীয়।
এ ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত হয়ে ডাঃ জিয়া হায়দার বলেন, “আজ ঝালকাঠির শ্মশানঘাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০-১৩টি ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে। এই সংবাদে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর বেশিরভাগই অসহায় ও স্বল্পআয়ের মানুষ, যাদের এই ক্ষতি অপূরণীয়। আমি ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ তাদের এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করুন এবং দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা হোক।”
স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নলছিটিতে ৮৫ বছরের বৃদ্ধা মাকে ঘর থেকে বের করে দিলেন ছেলে।

ঝালকাঠির শ্মশানঘাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ১০টি বসতঘর পুড়ে ছাই।

আপডেট টাইম : ১২:৪৮:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

জেলা প্রতিনিধি-
আজ ৬ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার বিকেলে ঝালকাঠি শহরের ঘনবসতিপূর্ণ শ্মশানঘাট এলাকায় হঠাৎ একটি ঘর থেকে আগুন লাগে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ১০টি বসতঘর সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিক তদন্তে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটকে আগুনের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তবে সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গেছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্দশা চরম আকার ধারণ করেছে। ঘরবাড়ির আসবাবপত্র, নগদ টাকা, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকাংশই অসহায় ও স্বল্পআয়ের মানুষ, যাদের জীবিকা ও আশ্রয় এক মুহূর্তে নিঃশেষ হয়ে গেছে। এই ক্ষতি তাদের কাছে একেবারেই অপূরণীয়।
এ ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত হয়ে ডাঃ জিয়া হায়দার বলেন, “আজ ঝালকাঠির শ্মশানঘাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০-১৩টি ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে। এই সংবাদে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর বেশিরভাগই অসহায় ও স্বল্পআয়ের মানুষ, যাদের এই ক্ষতি অপূরণীয়। আমি ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ তাদের এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করুন এবং দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা হোক।”
স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।