ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝালকাঠীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ পরিবারের পাশে জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাড. শাহাদাৎ হোসেন

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৬:১৩:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৯ পঠিত

ঝালকাঠী জেলা প্রতিনিধি: ঝালকাঠি পৌরসভার শ্মশানঘাট এলাকায় গত ৬ এপ্রিল সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭টি বসতঘর ভস্মীভূত হয়ে ১৭টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ শাহাদাৎ হোসেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার প্রধানদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন প্রশাসক। চেক বিতরণকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের দুর্দশার কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন।
চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অ্যাড. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, “মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আগুনে যাদের ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে, তাদের এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। জেলা পরিষদ সবসময় অসহায় ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকবে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে।”
তিনি আরও জানান, সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা সম্মিলিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে কাজ করে যাচ্ছেন। এ সময় সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রশাসক।
চেক গ্রহণ করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জেলা পরিষদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, “হঠাৎ আগুনে আমাদের সবকিছু পুড়ে গেছে। আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। এই সহায়তা আমাদের নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস যোগাবে।” অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে প্রশাসনের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
উল্লেখ্য, ৬ এপ্রিল বিদ্যুৎতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অল্প সময়ের মধ্যে ১৭টি বসতঘর পুড়ে যায়। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
ঝালকাঠী রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাড. মিজানুর রহমান মুবিন বলেন, “এই সহায়তা কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে এবং মানবিক সহমর্মিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।”
এই মানবিক সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :

অপ্রয়োজনীয় সি-সেকশন বন্ধে আইন আসছে, এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং বাড়ানোর আহ্বান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের

ঝালকাঠীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ পরিবারের পাশে জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাড. শাহাদাৎ হোসেন

আপডেট টাইম : ০৬:১৩:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ঝালকাঠী জেলা প্রতিনিধি: ঝালকাঠি পৌরসভার শ্মশানঘাট এলাকায় গত ৬ এপ্রিল সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭টি বসতঘর ভস্মীভূত হয়ে ১৭টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ শাহাদাৎ হোসেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার প্রধানদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন প্রশাসক। চেক বিতরণকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের দুর্দশার কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন।
চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অ্যাড. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, “মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আগুনে যাদের ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে, তাদের এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। জেলা পরিষদ সবসময় অসহায় ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকবে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে।”
তিনি আরও জানান, সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা সম্মিলিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে কাজ করে যাচ্ছেন। এ সময় সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রশাসক।
চেক গ্রহণ করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জেলা পরিষদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, “হঠাৎ আগুনে আমাদের সবকিছু পুড়ে গেছে। আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। এই সহায়তা আমাদের নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস যোগাবে।” অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে প্রশাসনের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
উল্লেখ্য, ৬ এপ্রিল বিদ্যুৎতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অল্প সময়ের মধ্যে ১৭টি বসতঘর পুড়ে যায়। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
ঝালকাঠী রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাড. মিজানুর রহমান মুবিন বলেন, “এই সহায়তা কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে এবং মানবিক সহমর্মিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।”
এই মানবিক সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।