ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুগন্ধা নদী দখল করে নির্মিত ৪ দোকান উচ্ছেদ, তৈরি হবে যাত্রী ছাউনি।

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৭:০৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬৬ পঠিত

নলছিটি (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি: ঝালকাঠির নলছিটিতে সুগন্ধা নদীর তীর দখল করে গড়ে ওঠা চারটি অবৈধ দোকানঘর উচ্ছেদ করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে নলছিটি লঞ্চঘাট ও খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানটির নেতৃত্ব দেন নলছিটি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিজভী আহমেদ সবুজ।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সুগন্ধা নদীর তীরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে এই দোকানঘরগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল। এর ফলে ঘাট এলাকায় লঞ্চ ও খেয়া পারাপারের যাত্রীদের চলাচল এবং অপেক্ষার জায়গা সংকুচিত হয়ে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছিল। উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে নদীর তীর দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন পৌরবাসী ও সাধারণ যাত্রীরা।পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উচ্ছেদকৃত খালি জায়গায় যাত্রীদের সুবিধার্থে দ্রুত একটি আধুনিক যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হবে। এর ফলে লঞ্চ ও খেয়াঘাটে আসা-যাওয়া করা যাত্রীরা নিরাপদে অপেক্ষা করার একটি সুন্দর পরিবেশ পাবেন।অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিজভী আহমেদ সবুজ জানান, নদীর তীর কিংবা সরকারি জায়গা দখল করে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও সরকারি জায়গা দখলের চেষ্টা করা হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :

নলছিটিতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া, খাদ্য বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

সুগন্ধা নদী দখল করে নির্মিত ৪ দোকান উচ্ছেদ, তৈরি হবে যাত্রী ছাউনি।

আপডেট টাইম : ০৭:০৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নলছিটি (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি: ঝালকাঠির নলছিটিতে সুগন্ধা নদীর তীর দখল করে গড়ে ওঠা চারটি অবৈধ দোকানঘর উচ্ছেদ করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে নলছিটি লঞ্চঘাট ও খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানটির নেতৃত্ব দেন নলছিটি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিজভী আহমেদ সবুজ।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সুগন্ধা নদীর তীরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে এই দোকানঘরগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল। এর ফলে ঘাট এলাকায় লঞ্চ ও খেয়া পারাপারের যাত্রীদের চলাচল এবং অপেক্ষার জায়গা সংকুচিত হয়ে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছিল। উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে নদীর তীর দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন পৌরবাসী ও সাধারণ যাত্রীরা।পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উচ্ছেদকৃত খালি জায়গায় যাত্রীদের সুবিধার্থে দ্রুত একটি আধুনিক যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হবে। এর ফলে লঞ্চ ও খেয়াঘাটে আসা-যাওয়া করা যাত্রীরা নিরাপদে অপেক্ষা করার একটি সুন্দর পরিবেশ পাবেন।অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিজভী আহমেদ সবুজ জানান, নদীর তীর কিংবা সরকারি জায়গা দখল করে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও সরকারি জায়গা দখলের চেষ্টা করা হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।