ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাড়পত্রবিহীন সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৭:২৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২৪ পঠিত

বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তর কর্তৃক প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের কোন সরকারী হাসপাতালের পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই।অথচ বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন,১৯৯৫ এর বিধান মোতাবেক সকল হাসপাতালের পরিবেশগত ছাড়পত্র থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হসপিটাল সার্ভিসেস ম্যানেজমেন্ট শাখার তথ্য মতে সারাদেশে জেলা ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ে সরকারি হাসপাতালের সংখ্যা ১১৪টি।এছাড়াও সারাদেশে প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে সে হিসেবে সারাদেশে সরকারি হাসাপাতালের সংখ্যা ৬০৯টি।উক্ত হাসপাতালের কোনটারই নিয়মানুযায়ী পরিবেশ দূষন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কার্যকর নেই।বেশীরবাগ সরকারী হাসপাতালের উপযুক্ত চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় হাসপাতালের চিকিৎসা বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার ফলে পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে এবং সাধারন জনগনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরী হচ্ছে প্রতিনিয়ত।তাই জনস্বার্থে পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন সারাদেশের সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনে রিট পিটিশন নং-১৯৬৭৮/২৫ দায়ের করা হয়। ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখ হাইকোর্ট ডিভশনের মহামান্য বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার এর সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চে উক্ত রীট পিটিশনের শুনানী হয়।শুনানী শেষে মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশন সারাদেশের পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুলনিশি জারী করেছে।পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রিট পিটিশনারের দাখিলকৃত দরখাস্ত ৬০(ষাট) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করে মহামান্য হাইকোর্টকে কমপ্লায়েন্স দাখিলের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।রীট পিটিশনারের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জনাব মোঃ কাওসার হোসাইন।

জনস্বার্থে দায়েরকৃত উক্ত রিট পিটিশনের পিটিশনার গাজীপুরের সাংবাদিক মোঃ মেহেদী হাসান এবং প্রতিপক্ষ করা হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সচিব,পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রনালয়, সচিব,স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয়,সচিব,মহাপরিচালক,
পরিবেশ অধিদপ্তর,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রমূখ।এবিষয়ে রীট পিটিশনারের পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোঃ কাওসার হোসাইন জানান যে,মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনের এ জাতীয় আদেশের ফলে সরকারী হাসপাতালের পরিবেশ দূষন কমবে এবং উপযুক্ত স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশ নিশ্চিত হবে।তিনি এজাতীয় আদেশের জন্য মহামান্য আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নলছিটিতে ৮৫ বছরের বৃদ্ধা মাকে ঘর থেকে বের করে দিলেন ছেলে।

ছাড়পত্রবিহীন সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

আপডেট টাইম : ০৭:২৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তর কর্তৃক প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের কোন সরকারী হাসপাতালের পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই।অথচ বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন,১৯৯৫ এর বিধান মোতাবেক সকল হাসপাতালের পরিবেশগত ছাড়পত্র থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হসপিটাল সার্ভিসেস ম্যানেজমেন্ট শাখার তথ্য মতে সারাদেশে জেলা ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ে সরকারি হাসপাতালের সংখ্যা ১১৪টি।এছাড়াও সারাদেশে প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে সে হিসেবে সারাদেশে সরকারি হাসাপাতালের সংখ্যা ৬০৯টি।উক্ত হাসপাতালের কোনটারই নিয়মানুযায়ী পরিবেশ দূষন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কার্যকর নেই।বেশীরবাগ সরকারী হাসপাতালের উপযুক্ত চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় হাসপাতালের চিকিৎসা বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার ফলে পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে এবং সাধারন জনগনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরী হচ্ছে প্রতিনিয়ত।তাই জনস্বার্থে পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন সারাদেশের সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনে রিট পিটিশন নং-১৯৬৭৮/২৫ দায়ের করা হয়। ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখ হাইকোর্ট ডিভশনের মহামান্য বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার এর সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চে উক্ত রীট পিটিশনের শুনানী হয়।শুনানী শেষে মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশন সারাদেশের পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুলনিশি জারী করেছে।পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রিট পিটিশনারের দাখিলকৃত দরখাস্ত ৬০(ষাট) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করে মহামান্য হাইকোর্টকে কমপ্লায়েন্স দাখিলের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।রীট পিটিশনারের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জনাব মোঃ কাওসার হোসাইন।

জনস্বার্থে দায়েরকৃত উক্ত রিট পিটিশনের পিটিশনার গাজীপুরের সাংবাদিক মোঃ মেহেদী হাসান এবং প্রতিপক্ষ করা হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সচিব,পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রনালয়, সচিব,স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয়,সচিব,মহাপরিচালক,
পরিবেশ অধিদপ্তর,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রমূখ।এবিষয়ে রীট পিটিশনারের পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোঃ কাওসার হোসাইন জানান যে,মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনের এ জাতীয় আদেশের ফলে সরকারী হাসপাতালের পরিবেশ দূষন কমবে এবং উপযুক্ত স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশ নিশ্চিত হবে।তিনি এজাতীয় আদেশের জন্য মহামান্য আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।