ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাগরিক শোকসভায় সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় বিএনপি বিট সাংবাদিকদের নিন্দা-ক্ষোভ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৭:৪২:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৮ পঠিত

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত নাগরিক শোকসভায় কয়েকজন সাংবাদিককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপি বিটে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের আচরণকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেলে সময় টিভির বিশেষ প্রতিনিধি আহমেদ সালেহীন শোকসভাস্থল থেকে লাইভ সম্প্রচার করছিলেন। এ সময় আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব এবং দৈনিক ইত্তেফাকের নির্বাহী সম্পাদক সালেহ উদ্দিন ‘এখানে লাইভ হবে না’ বলে উচ্চস্বরে চিৎকার করে সালেহীনের কলার ধরে টেনে নিয়ে যান।

এক পর্যায়ে তিনি তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন বলেও অভিযোগ ওঠে। পরে উপস্থিত বিএনপি নেতা ও সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ সময় গ্রীন টিভির রিপোর্টার আহসান হাবীবসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গেও সালেহ উদ্দিন আপত্তিকর আচরণ করেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বিএনপি বিটের সাংবাদিকরা মনে করেন, সালেহ উদ্দিনের এ ধরনের অপেশাদার ও উদ্ধত আচরণ সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য।

একই সঙ্গে তারা প্রশ্ন তোলেন—এ ধরনের উগ্র মানসিকতার ব্যক্তিকে এত বড় ও সংবেদনশীল আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া কতটা যৌক্তিক, সে বিষয়টি বিএনপির দায়িত্বশীলদের নতুন করে ভাবা উচিত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহে মিডিয়া কার্ড সংগ্রহ এবং সম্প্রতি একটি হোটেলে বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রবেশের ক্ষেত্রেও নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

বিএনপি বিটে কর্মরত সাংবাদিকরা আশা প্রকাশ করেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করে আসা সাংবাদিকরা যেন পেশাগত কাজ করতে গিয়ে আর কোনো ধরনের বাধা বা হয়রানির শিকার না হন।

সেজন্য সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তারা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝালকাঠির বিএনপি নেত্রী জেবা আমিন খান সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত, নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বাসে উদ্বেলিত।

নাগরিক শোকসভায় সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় বিএনপি বিট সাংবাদিকদের নিন্দা-ক্ষোভ

আপডেট টাইম : ০৭:৪২:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত নাগরিক শোকসভায় কয়েকজন সাংবাদিককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপি বিটে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের আচরণকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেলে সময় টিভির বিশেষ প্রতিনিধি আহমেদ সালেহীন শোকসভাস্থল থেকে লাইভ সম্প্রচার করছিলেন। এ সময় আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব এবং দৈনিক ইত্তেফাকের নির্বাহী সম্পাদক সালেহ উদ্দিন ‘এখানে লাইভ হবে না’ বলে উচ্চস্বরে চিৎকার করে সালেহীনের কলার ধরে টেনে নিয়ে যান।

এক পর্যায়ে তিনি তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন বলেও অভিযোগ ওঠে। পরে উপস্থিত বিএনপি নেতা ও সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ সময় গ্রীন টিভির রিপোর্টার আহসান হাবীবসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গেও সালেহ উদ্দিন আপত্তিকর আচরণ করেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বিএনপি বিটের সাংবাদিকরা মনে করেন, সালেহ উদ্দিনের এ ধরনের অপেশাদার ও উদ্ধত আচরণ সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য।

একই সঙ্গে তারা প্রশ্ন তোলেন—এ ধরনের উগ্র মানসিকতার ব্যক্তিকে এত বড় ও সংবেদনশীল আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া কতটা যৌক্তিক, সে বিষয়টি বিএনপির দায়িত্বশীলদের নতুন করে ভাবা উচিত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহে মিডিয়া কার্ড সংগ্রহ এবং সম্প্রতি একটি হোটেলে বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রবেশের ক্ষেত্রেও নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

বিএনপি বিটে কর্মরত সাংবাদিকরা আশা প্রকাশ করেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করে আসা সাংবাদিকরা যেন পেশাগত কাজ করতে গিয়ে আর কোনো ধরনের বাধা বা হয়রানির শিকার না হন।

সেজন্য সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তারা।