ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝালকাঠির গুদের হাট বাজারে মধ্যরাতের ভয়াবহ আগুন: ৮ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ দুটি এনজিও অফিস পুড়ে ছাই, ক্ষয়ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১০:১৫:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • ৩৩ পঠিত

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের গুদের হাট বাজারে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি এনজিও অফিসসহ মোট ৮টি দোকান পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে। আগুনের তীব্রতায় ব্যবসায়ীদের মূলধন, নগদ টাকা ও মালামালসহ জীবিকার শেষ সম্বল নিমেষে নিঃশেষ হয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গভীর রাতে হঠাৎ আগুন লাগলে মুহূর্তের মধ্যে তা আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আপ্রাণ চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। পরে আগুন নিভলেও ততক্ষণে আটটি দোকান ও দুটি এনজিও অফিস পুড়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।
প্রাথমিক হিসাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় অর্ধকোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, দোকানের আয়ের ওপরই তাদের সংসার চলত। অনেকের সন্তানের বিয়ের জন্য জমানো টাকা ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আগুনে পুড়ে যাওয়ায় বিয়ের আয়োজন এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন চরম মানবিক সংকটে রয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনো নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন এখনো ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ ও ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

ট্যাগ :

ঝালকাঠিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

ঝালকাঠির গুদের হাট বাজারে মধ্যরাতের ভয়াবহ আগুন: ৮ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ দুটি এনজিও অফিস পুড়ে ছাই, ক্ষয়ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা

আপডেট টাইম : ১০:১৫:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের গুদের হাট বাজারে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি এনজিও অফিসসহ মোট ৮টি দোকান পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে। আগুনের তীব্রতায় ব্যবসায়ীদের মূলধন, নগদ টাকা ও মালামালসহ জীবিকার শেষ সম্বল নিমেষে নিঃশেষ হয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গভীর রাতে হঠাৎ আগুন লাগলে মুহূর্তের মধ্যে তা আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আপ্রাণ চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। পরে আগুন নিভলেও ততক্ষণে আটটি দোকান ও দুটি এনজিও অফিস পুড়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।
প্রাথমিক হিসাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় অর্ধকোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, দোকানের আয়ের ওপরই তাদের সংসার চলত। অনেকের সন্তানের বিয়ের জন্য জমানো টাকা ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আগুনে পুড়ে যাওয়ায় বিয়ের আয়োজন এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন চরম মানবিক সংকটে রয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনো নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন এখনো ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ ও ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।