ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝালকাঠিতে আন্তর্জাতিক মানের নদীকেন্দ্রিক ইকো-ট্যুরিজম হাব ও সাংস্কৃতিক পল্লী গড়ে তোলার অনুমোদন দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১০:২৫:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • ৪৪ পঠিত

মোহাম্মদ মোহসীন, ডেস্ক রিপোর্টঃ
ঝালকাঠির গাবখান চ্যানেল, ধানসিঁড়ি, সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর পঞ্চমোহনাসহ ভীমরুলীর ভাসমান পেয়ারা বাজারকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্হ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানাতে নির্দেশ দিয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে জারি করা এক পত্রে জানানো হয়, কমিশনারদের পাঠানো জুন ২০২৬-এর দ্বিতীয় পক্ষের পাক্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উত্থাপিত এ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী সদয় অনুমোদন করেছেন।
প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, গাবখান চ্যানেল, ধানসিঁড়ি নদী, পঞ্চমোহনা ও ভীমরুলীর ভাসমান পেয়ারা বাজারকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম গড়ে তোলার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সমন্বিত পর্যটন অবকাঠামো, আধুনিক জেটি, নিরাপদ নৌপরিবহন, পর্যটক আবাসন ও কার্যকর ব্র্যান্ডিংয়ের অভাবে এ সম্ভাবনা পূর্ণরূপে কাজে লাগানো যায়নি।
পঞ্চমোহনায় ৮৮ দশমিক ৩৬ একর সরকারি জমিতে “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” ও Riverine Eco-tourism Hub প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। এর আওতায় রিভারফ্রন্ট, ইকো-রিসোর্ট, ভাসমান রেস্টুরেন্ট, জীবনানন্দ দাশ সাহিত্য ও গবেষণা কেন্দ্র, লোকজ জাদুঘর, সাংস্কৃতিক মঞ্চ এবং গাবখান চ্যানেল-ধানসিঁড়ি নদীকেন্দ্রিক পর্যটন সার্কিট গড়ে তোলা হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মতে, প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় অর্থনীতির সম্প্রসারণ এবং অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক ইতোমধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্ট ভূমি মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন থাকায় মামলা নিষ্পত্তি সাপেক্ষে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত অনুমোদন ও বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাস্তবায়নের অগ্রগতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করার নির্দেশ দিয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝালকাঠিতে পৌরসভার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে নাগরিক সংলাপ

ঝালকাঠিতে আন্তর্জাতিক মানের নদীকেন্দ্রিক ইকো-ট্যুরিজম হাব ও সাংস্কৃতিক পল্লী গড়ে তোলার অনুমোদন দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১০:২৫:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

মোহাম্মদ মোহসীন, ডেস্ক রিপোর্টঃ
ঝালকাঠির গাবখান চ্যানেল, ধানসিঁড়ি, সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর পঞ্চমোহনাসহ ভীমরুলীর ভাসমান পেয়ারা বাজারকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্হ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানাতে নির্দেশ দিয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে জারি করা এক পত্রে জানানো হয়, কমিশনারদের পাঠানো জুন ২০২৬-এর দ্বিতীয় পক্ষের পাক্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উত্থাপিত এ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী সদয় অনুমোদন করেছেন।
প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, গাবখান চ্যানেল, ধানসিঁড়ি নদী, পঞ্চমোহনা ও ভীমরুলীর ভাসমান পেয়ারা বাজারকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম গড়ে তোলার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সমন্বিত পর্যটন অবকাঠামো, আধুনিক জেটি, নিরাপদ নৌপরিবহন, পর্যটক আবাসন ও কার্যকর ব্র্যান্ডিংয়ের অভাবে এ সম্ভাবনা পূর্ণরূপে কাজে লাগানো যায়নি।
পঞ্চমোহনায় ৮৮ দশমিক ৩৬ একর সরকারি জমিতে “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” ও Riverine Eco-tourism Hub প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। এর আওতায় রিভারফ্রন্ট, ইকো-রিসোর্ট, ভাসমান রেস্টুরেন্ট, জীবনানন্দ দাশ সাহিত্য ও গবেষণা কেন্দ্র, লোকজ জাদুঘর, সাংস্কৃতিক মঞ্চ এবং গাবখান চ্যানেল-ধানসিঁড়ি নদীকেন্দ্রিক পর্যটন সার্কিট গড়ে তোলা হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মতে, প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় অর্থনীতির সম্প্রসারণ এবং অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক ইতোমধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্ট ভূমি মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন থাকায় মামলা নিষ্পত্তি সাপেক্ষে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত অনুমোদন ও বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাস্তবায়নের অগ্রগতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করার নির্দেশ দিয়েছে।