ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার: খেলাকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার পরিকল্পনা করছে।

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৮:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ৬৭ পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি, ৩ মে ২০২৬:
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করা সম্ভব এবং এটি করা উচিত। তিনি ইউরোপ ও আমেরিকার উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে খেলোয়াড় ও সংগীতশিল্পীরা মিলিয়নিয়ার হয়ে উঠছেন, অথচ বাংলাদেশে তারা অর্থাভাবে কষ্ট পান।
তিনি আরও বলেন, “খেলাকেও পেশা হিসেবে নেওয়া যায়। ইউরোপ ও আমেরিকায় আমি দেখেছি, সেখানকার খেলোয়াড় ও সংগীতশিল্পীদের অনেকেই মিলিয়নিয়ার। অথচ আমাদের দেশে তারা অর্থভাবে কষ্ট পান। তাই আমাদের সরকার খেলাকে পেশা হিসেবে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।”
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের এই বক্তব্য দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে অধিকাংশ খেলোয়াড়কেই পেশাদারিত্বের অভাব এবং আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে হয়। ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলায় আন্তর্জাতিক সাফল্যের পরও খেলোয়াড়রা সঠিক বেতন-ভাতা ও পোস্ট-ক্যারিয়ার নিরাপত্তা পান না।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, খেলাকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হলে প্রয়োজন:
পেশাদার লীগের ব্যাপক সম্প্রসারণ
খেলোয়াড়দের জন্য আকর্ষণীয় বেতন কাঠামো
স্পনসরশিপ ও মার্কেটিংয়ের উন্নয়ন
অবসরোত্তর আর্থিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা
সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি, তবে ড. হায়দারের বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, উচ্চ পর্যায়ে এ নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।
ক্রীড়াপ্রেমীরা আশা করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম খেলাধুলাকে শুধু শখ নয়, বরং সম্মানজনক ও লাভজনক পেশা হিসেবে বেছে নিতে উৎসাহিত হবে।

ট্যাগ :

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সার্ভিস চার্জ কার্ড উদ্বোধন করলেন জিয়াউদ্দিন হায়দার

ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার: খেলাকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার পরিকল্পনা করছে।

আপডেট টাইম : ০৮:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি, ৩ মে ২০২৬:
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করা সম্ভব এবং এটি করা উচিত। তিনি ইউরোপ ও আমেরিকার উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে খেলোয়াড় ও সংগীতশিল্পীরা মিলিয়নিয়ার হয়ে উঠছেন, অথচ বাংলাদেশে তারা অর্থাভাবে কষ্ট পান।
তিনি আরও বলেন, “খেলাকেও পেশা হিসেবে নেওয়া যায়। ইউরোপ ও আমেরিকায় আমি দেখেছি, সেখানকার খেলোয়াড় ও সংগীতশিল্পীদের অনেকেই মিলিয়নিয়ার। অথচ আমাদের দেশে তারা অর্থভাবে কষ্ট পান। তাই আমাদের সরকার খেলাকে পেশা হিসেবে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।”
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের এই বক্তব্য দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে অধিকাংশ খেলোয়াড়কেই পেশাদারিত্বের অভাব এবং আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে হয়। ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলায় আন্তর্জাতিক সাফল্যের পরও খেলোয়াড়রা সঠিক বেতন-ভাতা ও পোস্ট-ক্যারিয়ার নিরাপত্তা পান না।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, খেলাকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হলে প্রয়োজন:
পেশাদার লীগের ব্যাপক সম্প্রসারণ
খেলোয়াড়দের জন্য আকর্ষণীয় বেতন কাঠামো
স্পনসরশিপ ও মার্কেটিংয়ের উন্নয়ন
অবসরোত্তর আর্থিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা
সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি, তবে ড. হায়দারের বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, উচ্চ পর্যায়ে এ নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।
ক্রীড়াপ্রেমীরা আশা করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম খেলাধুলাকে শুধু শখ নয়, বরং সম্মানজনক ও লাভজনক পেশা হিসেবে বেছে নিতে উৎসাহিত হবে।