ঢাকা ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজাপুরে খাল পুনঃখননে অনিয়ম, ইউএনওর পরিদর্শনে প্রস্থে ঘাটতি

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৮:০৯:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭২ পঠিত

ঝালকাঠি: রাজাপুর উপজেলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগের পর সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে কাজের অসঙ্গতি পেয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরি।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে আঙ্গারিয়া এলাকায় রাঢ়ি বাড়ির সামনে থেকে শুরু হওয়া খালের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন ইউএনও। ফিতা দিয়ে মাপ নিয়ে দেখা যায়, নির্ধারিত ৩০ ফুট প্রস্থের পরিবর্তে কোথাও কোথাও মাত্র ২৬ থেকে ২৮ ফুট পাওয়া গেছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, এলজিইডির আওতায় প্রায় ১৪০০ মিটার খাল খননে ২৪ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও পূর্ণাঙ্গ খনন না করে শুধু মাঝখান থেকে সামান্য পলি তুলে নালার মতো আকৃতি দেওয়া হয়েছে। খননের আগে দুই পাড়ের অনেক ফলজ ও বনজ গাছ কাটা হয়েছে, কিন্তু সেচ সুবিধা বা মাছ চাষের কোনো উপকার হচ্ছে না। পাড় তির্যকভাবে কাটায় ভেঙে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
পরিদর্শন শেষে ইউএনও রিফাত আরা মৌরি বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা সরেজমিন মাপ নিয়েছি। যেসব জায়গায় প্রস্থ কম পাওয়া গেছে, সেটি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা হবে।”
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ট্যাগ :

নলছিটিতে ভূমি অফিসে অনিয়ম: দুই কর্মকর্তাকে শোকজ, কানুনগো বদলি

রাজাপুরে খাল পুনঃখননে অনিয়ম, ইউএনওর পরিদর্শনে প্রস্থে ঘাটতি

আপডেট টাইম : ০৮:০৯:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ঝালকাঠি: রাজাপুর উপজেলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগের পর সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে কাজের অসঙ্গতি পেয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরি।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে আঙ্গারিয়া এলাকায় রাঢ়ি বাড়ির সামনে থেকে শুরু হওয়া খালের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন ইউএনও। ফিতা দিয়ে মাপ নিয়ে দেখা যায়, নির্ধারিত ৩০ ফুট প্রস্থের পরিবর্তে কোথাও কোথাও মাত্র ২৬ থেকে ২৮ ফুট পাওয়া গেছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, এলজিইডির আওতায় প্রায় ১৪০০ মিটার খাল খননে ২৪ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও পূর্ণাঙ্গ খনন না করে শুধু মাঝখান থেকে সামান্য পলি তুলে নালার মতো আকৃতি দেওয়া হয়েছে। খননের আগে দুই পাড়ের অনেক ফলজ ও বনজ গাছ কাটা হয়েছে, কিন্তু সেচ সুবিধা বা মাছ চাষের কোনো উপকার হচ্ছে না। পাড় তির্যকভাবে কাটায় ভেঙে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
পরিদর্শন শেষে ইউএনও রিফাত আরা মৌরি বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা সরেজমিন মাপ নিয়েছি। যেসব জায়গায় প্রস্থ কম পাওয়া গেছে, সেটি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা হবে।”
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।