ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝালকাঠিতে উন্নয়নের নতুন অধ্যায়: ৪১৭ প্রকল্পে মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৬:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬৬ পঠিত

জেলা প্রতিনিধিঃ
দীর্ঘদিনের অপেক্ষা শেষে ঝালকাঠি জেলা পরিষদের ৪১৭টি উন্নয়ন প্রকল্পে প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) সাধারণ বরাদ্দের আওতায় এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি ৫০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব তাহমিনা আক্তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। চিঠিতে নির্ধারিত শর্ত ও সরকারি নির্দেশনা মেনে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রয়োজন ও গুরুত্ব বিবেচনায় যাচাই-বাছাই করে এসব প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। দীর্ঘদিন অনুমোদন ও অর্থ ছাড়ের অপেক্ষায় থাকায় বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা-গুঞ্জন ছড়ায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলা পরিষদের সঙ্গে সংসদ সদস্যদের সমন্বয়সংক্রান্ত একটি চিঠি নিয়েও আলোচনা হয়, যাতে স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দেয়।
তবে মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ অনুমোদনের ফলে উন্নয়নকাজের জটিলতা অনেকটাই কেটেছে। প্রকল্প অনুমোদনে বিলম্বের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সরাসরি সম্পর্ক ছিল—এমন কোনো তথ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়নি।
ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন বলেন, জেলার সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বিবেচনা করেই প্রকল্পগুলো নির্বাচন করা হয়েছিল। যাচাই-বাছাই শেষে সেগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় এবং মন্ত্রণালয়ও যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দিয়েছে। এখন দ্রুত বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করা হবে।
প্রকল্প ছাড়ে কোনো সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিনি কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ দেখেননি। তবে এ ধরনের কোনো বিষয় থাকলে তা দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন।
মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাট, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে। দ্রুত এসব প্রকল্পের কাজ শুরু হলে দীর্ঘদিন উন্নয়নবঞ্চিত এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ঝালকাঠিতে উন্নয়নের নতুন অধ্যায়: ৪১৭ প্রকল্পে মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত

আপডেট টাইম : ০৬:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

জেলা প্রতিনিধিঃ
দীর্ঘদিনের অপেক্ষা শেষে ঝালকাঠি জেলা পরিষদের ৪১৭টি উন্নয়ন প্রকল্পে প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) সাধারণ বরাদ্দের আওতায় এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি ৫০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব তাহমিনা আক্তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। চিঠিতে নির্ধারিত শর্ত ও সরকারি নির্দেশনা মেনে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রয়োজন ও গুরুত্ব বিবেচনায় যাচাই-বাছাই করে এসব প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। দীর্ঘদিন অনুমোদন ও অর্থ ছাড়ের অপেক্ষায় থাকায় বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা-গুঞ্জন ছড়ায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলা পরিষদের সঙ্গে সংসদ সদস্যদের সমন্বয়সংক্রান্ত একটি চিঠি নিয়েও আলোচনা হয়, যাতে স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দেয়।
তবে মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ অনুমোদনের ফলে উন্নয়নকাজের জটিলতা অনেকটাই কেটেছে। প্রকল্প অনুমোদনে বিলম্বের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সরাসরি সম্পর্ক ছিল—এমন কোনো তথ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়নি।
ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন বলেন, জেলার সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বিবেচনা করেই প্রকল্পগুলো নির্বাচন করা হয়েছিল। যাচাই-বাছাই শেষে সেগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় এবং মন্ত্রণালয়ও যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দিয়েছে। এখন দ্রুত বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করা হবে।
প্রকল্প ছাড়ে কোনো সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিনি কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ দেখেননি। তবে এ ধরনের কোনো বিষয় থাকলে তা দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন।
মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাট, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে। দ্রুত এসব প্রকল্পের কাজ শুরু হলে দীর্ঘদিন উন্নয়নবঞ্চিত এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।