ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নলছিটিতে ঐতিহাসিক ঘটনা: ১১টি মসজিদের ইমাম ও মুসল্লিদের একত্রে ঈদের নামাজ চায়না মাঠে।

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১১:১০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • ৭২ পঠিত

মোহাম্মদ মোহসীন, নলছিটি প্রতিনিধি-
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় এবার ঈদুল ফিতরের নামাজ নিয়ে দেখা যাচ্ছে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। এই প্রথমবারের মতো একসঙ্গে ১১টি মসজিদের ইমাম এবং স্থানীয় মুসল্লিরা একত্রিত হয়ে ঐতিহাসিক নলছিটি চায়না মাঠে পবিত্র ঈদের নামাজ আদায় করবেন। নামাজ অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এশিয়া মহাদেশের বিখ্যাত বন্দর নগর ছিলো এ নলছিটি। এরপর বাংলাদেশের দ্বিতীয় পৌরসভা। আধুনিকতার ছোয়া নেই বললেই চলে। এর মাঝেই পৌরভাসীর বসবাস। বিশেষ করে দুই ঈদ উৎসবে প্রান পায় এ পৌরসভাটি। অনেক বছর ধরেই প্রচেষ্টা চলছিলো ঈদ উৎসব ঘিরে সবাই একত্রিত হওয়ার। অবশেষে এলো সেই মাহিন্দ্রক্ষন। ইমাম সমিতির উদ্যোগেই এই ঐতিহাসিক সফলতা এলো। ঈদ উল ফিতরের নামাজের জামাত একত্রিত হয়ে আদায় করা হবে। এই উদ্যোগ ঈদের জামাতকে আরও বড় পরিসরে ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উদযাপনের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। সাধারণত প্রতিটি মসজিদে আলাদাভাবে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হলেও এবার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মুসল্লিরা এক মাঠে জড়ো হয়ে নামাজ আদায় করায় এটি নলছিটির ধর্মীয় ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই যৌথ জামাতের মাধ্যমে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা আরও জোরালো ভাবে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, মাঠে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে যাতে সকলে নিরাপদে ও স্বস্তিতে নামাজ আদায় করতে পারেন। তবে আবহাওয়া বৈরী হলে পূর্বের মতো স্ব স্ব মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
এই ঐতিহাসিক ঈদের নামাজ সফলভাবে সম্পন্ন হবে এবং নলছিটিবাসীর জন্য একটি স্মরণীয় ঈদ উদযাপন হয়ে উঠবে।

ট্যাগ :

অপ্রয়োজনীয় সি-সেকশন বন্ধে আইন আসছে, এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং বাড়ানোর আহ্বান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের

নলছিটিতে ঐতিহাসিক ঘটনা: ১১টি মসজিদের ইমাম ও মুসল্লিদের একত্রে ঈদের নামাজ চায়না মাঠে।

আপডেট টাইম : ১১:১০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

মোহাম্মদ মোহসীন, নলছিটি প্রতিনিধি-
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় এবার ঈদুল ফিতরের নামাজ নিয়ে দেখা যাচ্ছে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। এই প্রথমবারের মতো একসঙ্গে ১১টি মসজিদের ইমাম এবং স্থানীয় মুসল্লিরা একত্রিত হয়ে ঐতিহাসিক নলছিটি চায়না মাঠে পবিত্র ঈদের নামাজ আদায় করবেন। নামাজ অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এশিয়া মহাদেশের বিখ্যাত বন্দর নগর ছিলো এ নলছিটি। এরপর বাংলাদেশের দ্বিতীয় পৌরসভা। আধুনিকতার ছোয়া নেই বললেই চলে। এর মাঝেই পৌরভাসীর বসবাস। বিশেষ করে দুই ঈদ উৎসবে প্রান পায় এ পৌরসভাটি। অনেক বছর ধরেই প্রচেষ্টা চলছিলো ঈদ উৎসব ঘিরে সবাই একত্রিত হওয়ার। অবশেষে এলো সেই মাহিন্দ্রক্ষন। ইমাম সমিতির উদ্যোগেই এই ঐতিহাসিক সফলতা এলো। ঈদ উল ফিতরের নামাজের জামাত একত্রিত হয়ে আদায় করা হবে। এই উদ্যোগ ঈদের জামাতকে আরও বড় পরিসরে ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উদযাপনের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। সাধারণত প্রতিটি মসজিদে আলাদাভাবে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হলেও এবার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মুসল্লিরা এক মাঠে জড়ো হয়ে নামাজ আদায় করায় এটি নলছিটির ধর্মীয় ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই যৌথ জামাতের মাধ্যমে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা আরও জোরালো ভাবে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, মাঠে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে যাতে সকলে নিরাপদে ও স্বস্তিতে নামাজ আদায় করতে পারেন। তবে আবহাওয়া বৈরী হলে পূর্বের মতো স্ব স্ব মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
এই ঐতিহাসিক ঈদের নামাজ সফলভাবে সম্পন্ন হবে এবং নলছিটিবাসীর জন্য একটি স্মরণীয় ঈদ উদযাপন হয়ে উঠবে।