ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নলছিটিতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে, নজরদারি ও সতর্কতার অভাব।

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৩:৫১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ৪৬ পঠিত

মোহাম্মদ মোহসীন, নলছিটি:
ঝালকাঠী জেলার নলছিটি উপজেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুসারে, চলতি মাসে গত সপ্তাহের তুলনায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
স্থানীয় হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত জানুয়ারী-জুলাই পর্যন্ত ৫৭ জন রোগী ডেঙ্গু সনাক্ত হয়। জুলাই মাসে এখন পর্যন্ত নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অন্তত ১৯ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়। এর মধ্যে বেশিরভাগই শিশু ও যুবক। এই ১৯ জনের মধ্যে ১২ জন হাসপাতালে ভর্তি হন, ৫ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান, ২ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি ঘটছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অপর্যাপ্ততা, খোলা জায়গায় পানির জমা এবং ঘরের আশেপাশে ফুলের টব, ডাবের খোসা ও অন্যান্য জিনিসে পানি জমে থাকা এই প্রকোপের অন্যতম কারণ।
নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিং করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হবে।”
স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে, ঘরের আশেপাশে পানি জমতে দেবেন না, মশারি ব্যবহার করুন, পূর্ণ হাতা জামা ও প্যান্ট পরুন, জ্বর হলে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ নিজে নিজে খাবেন না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই সময়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবার সহযোগিতা জরুরি। প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও নিজ নিজ এলাকা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝালকাঠিতে পৌরসভার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে নাগরিক সংলাপ

নলছিটিতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে, নজরদারি ও সতর্কতার অভাব।

আপডেট টাইম : ০৩:৫১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

মোহাম্মদ মোহসীন, নলছিটি:
ঝালকাঠী জেলার নলছিটি উপজেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুসারে, চলতি মাসে গত সপ্তাহের তুলনায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
স্থানীয় হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত জানুয়ারী-জুলাই পর্যন্ত ৫৭ জন রোগী ডেঙ্গু সনাক্ত হয়। জুলাই মাসে এখন পর্যন্ত নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অন্তত ১৯ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়। এর মধ্যে বেশিরভাগই শিশু ও যুবক। এই ১৯ জনের মধ্যে ১২ জন হাসপাতালে ভর্তি হন, ৫ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান, ২ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি ঘটছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অপর্যাপ্ততা, খোলা জায়গায় পানির জমা এবং ঘরের আশেপাশে ফুলের টব, ডাবের খোসা ও অন্যান্য জিনিসে পানি জমে থাকা এই প্রকোপের অন্যতম কারণ।
নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিং করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হবে।”
স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে, ঘরের আশেপাশে পানি জমতে দেবেন না, মশারি ব্যবহার করুন, পূর্ণ হাতা জামা ও প্যান্ট পরুন, জ্বর হলে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ নিজে নিজে খাবেন না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই সময়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবার সহযোগিতা জরুরি। প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও নিজ নিজ এলাকা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।