ঢাকা ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিচ্ছন্ন শহর চাই—শুরু হোক প্রত্যেকের কাছ থেকে, নলছিটির প্রধান শিক্ষকের আহ্বান

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০২:৩১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৯ পঠিত

নলছিটি প্রতিনিধিঃ
নলছিটি, ঝালকাঠি থেকে একজন শিক্ষকের কণ্ঠে উঠে এসেছে শহর পরিচ্ছন্ন রাখার জোরালো আহ্বান। নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক-২০২৬ সারাহ্ পারভীন রিংকু বলেছেন, পরিচ্ছন্ন শহর শুধু প্রত্যাশা নয়, নাগরিক অধিকার ও দায়িত্ব।
তিনি উল্লেখ করেন, রাস্তাঘাট, বাজার, নালা-নর্দমা ও জনসমাগমস্থলে যত্রতত্র ময়লা ফেলার প্রবণতা শহরকে জর্জরিত করেছে। এতে পরিবেশ দূষণ, জলাবদ্ধতা ও ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।
প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিনি বিদ্যালয়কে পরিচ্ছন্নতার আদর্শ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন। ‘পরিচ্ছন্ন বিদ্যালয়, সুস্থ শিক্ষার্থী’ কর্মসূচি, নিয়মিত সচেতনতা দিবস এবং শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি বার্তা পৌঁছানোর কথা বলেছেন। একই সঙ্গে দোকানের সামনে ঢাকনাযুক্ত ময়লার ঝুড়ি রাখা, ‘আমার দোকান, আমার দায়িত্ব’ উদ্যোগ, বর্জ্য আলাদা সংগ্রহ এবং মহল্লাভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুধু আইন বা জরিমানায় শহর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। প্রশাসন, পৌরসভা, ব্যবসায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ নাগরিকের সমন্বিত উদ্যোগেই সম্ভব একটি সুন্দর, স্বাস্থ্যকর ও দূষণমুক্ত শহর গড়া।
রিংকু শেষ কথায় আহ্বান জানান—‘ময়লা যেখানে-সেখানে না ফেলি, নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলি এবং জমে থাকা পানি অপসারণ করি।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদা না দেওয়ায় বাস কাউন্টারে হামলা: নলছিটিতে বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে জখম

পরিচ্ছন্ন শহর চাই—শুরু হোক প্রত্যেকের কাছ থেকে, নলছিটির প্রধান শিক্ষকের আহ্বান

আপডেট টাইম : ০২:৩১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নলছিটি প্রতিনিধিঃ
নলছিটি, ঝালকাঠি থেকে একজন শিক্ষকের কণ্ঠে উঠে এসেছে শহর পরিচ্ছন্ন রাখার জোরালো আহ্বান। নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক-২০২৬ সারাহ্ পারভীন রিংকু বলেছেন, পরিচ্ছন্ন শহর শুধু প্রত্যাশা নয়, নাগরিক অধিকার ও দায়িত্ব।
তিনি উল্লেখ করেন, রাস্তাঘাট, বাজার, নালা-নর্দমা ও জনসমাগমস্থলে যত্রতত্র ময়লা ফেলার প্রবণতা শহরকে জর্জরিত করেছে। এতে পরিবেশ দূষণ, জলাবদ্ধতা ও ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।
প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিনি বিদ্যালয়কে পরিচ্ছন্নতার আদর্শ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন। ‘পরিচ্ছন্ন বিদ্যালয়, সুস্থ শিক্ষার্থী’ কর্মসূচি, নিয়মিত সচেতনতা দিবস এবং শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি বার্তা পৌঁছানোর কথা বলেছেন। একই সঙ্গে দোকানের সামনে ঢাকনাযুক্ত ময়লার ঝুড়ি রাখা, ‘আমার দোকান, আমার দায়িত্ব’ উদ্যোগ, বর্জ্য আলাদা সংগ্রহ এবং মহল্লাভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুধু আইন বা জরিমানায় শহর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। প্রশাসন, পৌরসভা, ব্যবসায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ নাগরিকের সমন্বিত উদ্যোগেই সম্ভব একটি সুন্দর, স্বাস্থ্যকর ও দূষণমুক্ত শহর গড়া।
রিংকু শেষ কথায় আহ্বান জানান—‘ময়লা যেখানে-সেখানে না ফেলি, নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলি এবং জমে থাকা পানি অপসারণ করি।’