ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্যকর বার্ধক্যে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা তুলে ধরলেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১০:১৮:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • ৮৫ পঠিত

মোহাম্মদ মোহসীন, আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
জেনেভায় বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (WEF) “হেলদি লংজেভিটি ওয়ার্কস্ট্রিম” উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীকে ‘বোঝা’ নয়, বরং মূল্যবান মানবসম্পদ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা ২০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। বাংলাদেশেও আগামী ২৫ বছরের মধ্যে প্রতি ছয়জনের একজন হবেন ৬০ বছরের উর্ধ্বে।
ড. হায়দার সতর্ক করে বলেন, যৌথ পরিবার ভেঙে পড়া, নগরায়ণ ও অভিবাসনের কারণে প্রবীণরা সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিতে পড়ছেন। দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখনো জেরিয়াট্রিক চিকিৎসা, দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা ও প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞের অভাবে প্রবীণবান্ধব নয়। উচ্চ স্বাস্থ্যব্যয় অনেক পরিবারকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
তবে তিনি প্রবীণদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার বড় সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করেন। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার ‘প্রোডাক্টিভ এজিং’ মডেলের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, প্রবীণদের মেন্টরশিপ, ক্ষুদ্র উদ্যোগ ও কমিউনিটি সেবায় সম্পৃক্ত করতে হবে।
“বার্ধক্য মানেই নির্ভরশীলতা — এই ধারণা বদলে ‘বার্ধক্য মানেই অবদান’ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে,” বলেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার।
তিনি স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে প্রবীণবান্ধব ও প্রতিরোধমূলক করার পাশাপাশি আজীবন শিক্ষা, ডিজিটাল দক্ষতা ও অভিযোজিত কর্মসংস্থানের ওপর জোর দেন।

ট্যাগ :

অপ্রয়োজনীয় সি-সেকশন বন্ধে আইন আসছে, এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং বাড়ানোর আহ্বান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের

স্বাস্থ্যকর বার্ধক্যে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা তুলে ধরলেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার

আপডেট টাইম : ১০:১৮:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

মোহাম্মদ মোহসীন, আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
জেনেভায় বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (WEF) “হেলদি লংজেভিটি ওয়ার্কস্ট্রিম” উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীকে ‘বোঝা’ নয়, বরং মূল্যবান মানবসম্পদ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা ২০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। বাংলাদেশেও আগামী ২৫ বছরের মধ্যে প্রতি ছয়জনের একজন হবেন ৬০ বছরের উর্ধ্বে।
ড. হায়দার সতর্ক করে বলেন, যৌথ পরিবার ভেঙে পড়া, নগরায়ণ ও অভিবাসনের কারণে প্রবীণরা সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিতে পড়ছেন। দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখনো জেরিয়াট্রিক চিকিৎসা, দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা ও প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞের অভাবে প্রবীণবান্ধব নয়। উচ্চ স্বাস্থ্যব্যয় অনেক পরিবারকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
তবে তিনি প্রবীণদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার বড় সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করেন। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার ‘প্রোডাক্টিভ এজিং’ মডেলের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, প্রবীণদের মেন্টরশিপ, ক্ষুদ্র উদ্যোগ ও কমিউনিটি সেবায় সম্পৃক্ত করতে হবে।
“বার্ধক্য মানেই নির্ভরশীলতা — এই ধারণা বদলে ‘বার্ধক্য মানেই অবদান’ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে,” বলেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার।
তিনি স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে প্রবীণবান্ধব ও প্রতিরোধমূলক করার পাশাপাশি আজীবন শিক্ষা, ডিজিটাল দক্ষতা ও অভিযোজিত কর্মসংস্থানের ওপর জোর দেন।