ঢাকা ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৫০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে নলছিটি থানার এএসআই ও কনস্টেবল ক্লোজড।

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৬:০২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ২৫ পঠিত

​মোঃ তানভীর হোসেন, নলছিটি প্রতিনিধিঃ
মোটরসাইকেল আরোহীর কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ঝালকাঠির নলছিটি থানার দুই পুলিশ সদস্যকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার (স্ট্যান্ড রিলিজ) করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন— সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জসিম ও কনস্টেবল ইব্রাহিম।
​গতকাল রাতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাদেরকে নলছিটি থানা থেকে প্রত্যাহার করে ঝালকাঠি পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে নলছিটি থানা এলাকায় ওই দুই পুলিশ সদস্য টহল ডিউটিতে ছিলেন। এ সময় পথিমধ্যে এক মোটরসাইকেল আরোহীকে থামিয়ে তারা ১৫০ টাকা ঘুষ নেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে জেলা পুলিশ সুপার তাৎক্ষণিকভাবে তদন্তের নির্দেশ দেন।
​প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় রাতেই তাদেরকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়।
​এ বিষয়ে জেলা পুলিশ প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, পুলিশের যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখা হবে। অপরাধ ছোট কিংবা বড় হোক, শৃঙ্খলা ভঙ্গের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝালকাঠিতে পৌরসভার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে নাগরিক সংলাপ

১৫০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে নলছিটি থানার এএসআই ও কনস্টেবল ক্লোজড।

আপডেট টাইম : ০৬:০২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

​মোঃ তানভীর হোসেন, নলছিটি প্রতিনিধিঃ
মোটরসাইকেল আরোহীর কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ঝালকাঠির নলছিটি থানার দুই পুলিশ সদস্যকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার (স্ট্যান্ড রিলিজ) করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন— সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জসিম ও কনস্টেবল ইব্রাহিম।
​গতকাল রাতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাদেরকে নলছিটি থানা থেকে প্রত্যাহার করে ঝালকাঠি পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে নলছিটি থানা এলাকায় ওই দুই পুলিশ সদস্য টহল ডিউটিতে ছিলেন। এ সময় পথিমধ্যে এক মোটরসাইকেল আরোহীকে থামিয়ে তারা ১৫০ টাকা ঘুষ নেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে জেলা পুলিশ সুপার তাৎক্ষণিকভাবে তদন্তের নির্দেশ দেন।
​প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় রাতেই তাদেরকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়।
​এ বিষয়ে জেলা পুলিশ প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, পুলিশের যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখা হবে। অপরাধ ছোট কিংবা বড় হোক, শৃঙ্খলা ভঙ্গের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।