ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝুঁকিতে চন্দ্রকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জরুরি সংস্কারের দাবি

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১২:৫৯:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • ১২২ পঠিত

মোহাম্মদ মোহসীন, নলছিটি প্রতিনিধি
ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ৮নং সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের ৬১নং চন্দ্রকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিনের অবহেলায় এখন জীবনের ঝুঁকিতে পড়েছে। ১৯২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রায় একশ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত বড় কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। ফলে বিদ্যালয়ের পুরনো ভবনটি এখন একেবারে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শ্রেণিকক্ষের ছাদ ও দেয়ালের প্লাস্টার প্রতিনিয়ত খসে পড়ছে। ভবনের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। শিক্ষকরা জানান, বৃষ্টির সময় পানি পড়ে ক্লাস করতে হয়, আর যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আতঙ্ক নিয়ে ক্লাস করে। অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন।
স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এটি শুধু একটি বিদ্যালয় নয়, এলাকার শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয় ভবনটি পুনর্নির্মাণ অথবা বড় ধরনের সংস্কার করা হোক। না হলে শিক্ষার্থীদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে।”
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তারা ইতিমধ্যে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছেন। কিন্তু এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন, একশ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয়টিকে টিকিয়ে রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কবে নাগাদ জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেবে? শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নলছিটিতে ৫ পিস ইয়াবা ও মোটরসাইকেলসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঝুঁকিতে চন্দ্রকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জরুরি সংস্কারের দাবি

আপডেট টাইম : ১২:৫৯:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

মোহাম্মদ মোহসীন, নলছিটি প্রতিনিধি
ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ৮নং সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের ৬১নং চন্দ্রকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিনের অবহেলায় এখন জীবনের ঝুঁকিতে পড়েছে। ১৯২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রায় একশ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত বড় কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। ফলে বিদ্যালয়ের পুরনো ভবনটি এখন একেবারে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শ্রেণিকক্ষের ছাদ ও দেয়ালের প্লাস্টার প্রতিনিয়ত খসে পড়ছে। ভবনের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। শিক্ষকরা জানান, বৃষ্টির সময় পানি পড়ে ক্লাস করতে হয়, আর যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আতঙ্ক নিয়ে ক্লাস করে। অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন।
স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এটি শুধু একটি বিদ্যালয় নয়, এলাকার শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয় ভবনটি পুনর্নির্মাণ অথবা বড় ধরনের সংস্কার করা হোক। না হলে শিক্ষার্থীদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে।”
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তারা ইতিমধ্যে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছেন। কিন্তু এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন, একশ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয়টিকে টিকিয়ে রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কবে নাগাদ জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেবে? শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।