ঢাকা ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নলছিটিতে এনজিওর ঋণের চাপে যুবকের আত্মহত্যা-

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • ৪৮ পঠিত

নলছিটি প্রতিনিধি-
ঝালকাঠীর নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের জুরকাঠী গ্রামে হাওলাদার বাড়ির মোঃ রবিউল ইসলাম মিলন (৩৩) নামে এক যুবক এনজিওর ঋণের জর্জরিত চাপ সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিতা দেলোয়ার হোসেনের ছেলেরবিউল ইসলাম মিলন, তিনি বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য বা জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ব্যবসায় লোকসান, কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থতা এবং ঋণের চাপে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।
আজ ১১ মার্চ সেহেরির পর আনুমানিক ভোর ৫টার দিকে তিনি নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। স্থানীয়রা দ্রুত খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে নলছিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা জানান, রবিউল দীর্ঘদিন ধরে একাধিক এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। কিস্তির চাপে তিনি প্রায়শই অস্থির থাকতেন। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, এলাকায় অনেক যুবক ও পরিবার এনজিওর একাধিক ঋণের ফাঁদে পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।
নলছিটি থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত কারণ জানা যাবে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ না থাকলেও ঋণের চাপকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণের চাপে আত্মহত্যার ঘটনা নতুন নয়। বিভিন্ন জেলায় এ ধরনের ঘটনা ঘন ঘন ঘটছে, যা সমাজে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এসব ঋণ বিতরণ ও আদায় প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির দাবি উঠেছে।

ট্যাগ :

অপ্রয়োজনীয় সি-সেকশন বন্ধে আইন আসছে, এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং বাড়ানোর আহ্বান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের

নলছিটিতে এনজিওর ঋণের চাপে যুবকের আত্মহত্যা-

আপডেট টাইম : ১০:৪৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

নলছিটি প্রতিনিধি-
ঝালকাঠীর নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের জুরকাঠী গ্রামে হাওলাদার বাড়ির মোঃ রবিউল ইসলাম মিলন (৩৩) নামে এক যুবক এনজিওর ঋণের জর্জরিত চাপ সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিতা দেলোয়ার হোসেনের ছেলেরবিউল ইসলাম মিলন, তিনি বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য বা জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ব্যবসায় লোকসান, কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থতা এবং ঋণের চাপে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।
আজ ১১ মার্চ সেহেরির পর আনুমানিক ভোর ৫টার দিকে তিনি নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। স্থানীয়রা দ্রুত খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে নলছিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা জানান, রবিউল দীর্ঘদিন ধরে একাধিক এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। কিস্তির চাপে তিনি প্রায়শই অস্থির থাকতেন। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, এলাকায় অনেক যুবক ও পরিবার এনজিওর একাধিক ঋণের ফাঁদে পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।
নলছিটি থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত কারণ জানা যাবে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ না থাকলেও ঋণের চাপকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণের চাপে আত্মহত্যার ঘটনা নতুন নয়। বিভিন্ন জেলায় এ ধরনের ঘটনা ঘন ঘন ঘটছে, যা সমাজে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এসব ঋণ বিতরণ ও আদায় প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির দাবি উঠেছে।